এই মুহূর্তে গুম, খুন ও গণহত্যার তিনটি মামলায় ২৫ জন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) জারি হয়েছে। তাদের মধ্যে লেফটেনেন্ট জেনারেল ও মেজর জেনারেল পদমর্যাদার ৯ জন—দুইজন চাকরিরত মেজর জেনারেলের মধ্যে একজন হেফাজতে, অন্যজন (শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ) পালিয়ে গেছেন।
বাকি চাকরিরত ১৫ সেনা কর্মকর্তা হেফাজতে রয়েছেন, অবসরপ্রাপ্ত ও ডিজিএফআই-সহ ৯ জন পলাতক; এদের অবস্থান অনেকের অজানা, কেউ কেউ দেশ ছেড়েছেন। তালিকায় নাম আছে: মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক, মো. আকবর হোসেন, মো. সাইফুল আলম, আহমেদ তাবরেজ শামস, সাইফুল আবেদীন, হামিদুল হক, মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম ইত্যাদি।
বর্তমান সেনা সদর ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তালিকা অনুসারে, হেফাজতে থাকা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন: শেখ মো. সারওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী, ব্রিগেডিয়ার আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী, জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, কে এম আজাদ, কামরুল হাসান, মহাবুব আলম, আনোয়ার লতিফ খান, আব্দুল্লাহ আল মোমেন, সারওয়ার বিন কাশেম, মশিউর রহমান জুয়েল, সাইফুল ইসলাম সুমন এবং বিজিবির দুই কর্মকর্তা রিদওয়ান ও মুন।
মোট আসামির বেশিরভাগই ক্ষমতাচ্যুত সরকার ও সেনা বাহিনীর উচ্চপদস্থ সদস্য। এসব মামলায় আরও পুলিশ ও বিজিবি কর্মকর্তার নাম যুক্ত হয়েছে।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর নজরদারি এবং ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে সীমান্তে কড়া তল্লাশি চলছে।