বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে

জেমস গোল্ডম্যান জানিয়েছেন, তিন বছরের ট্রানজিশন পিরিয়ডে এ সুবিধা অব্যাহত থাকবে।

এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে
জেমস গোল্ডম্যান, বাংলাদেশের ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার, সোমবার চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের সাথে দেখা করেন। এ সময় তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেন। জেমস গোল্ডম্যান জানান, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও যুক্তরাজ্যের বাজারে আগের মতোই শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। তিনি বলেন, ট্রানজিশন পিরিয়ডে ৯৯.৮ শতাংশ পণ্যে এই সুবিধা বজায় থাকবে। এই সময় শেষ হলে প্রায় ৯২ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত থাকবে। এ তথ্য তিনি যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিমের (ডিসিটিএস) প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জানান। জেমস গোল্ডম্যান আরও জানান, ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশের ব্যবসায়িক উন্নয়নে ২ বিলিয়ন পাউন্ডের আর্থিক সহায়তা তহবিল তৈরি করেছে। চট্টগ্রামকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক বিনিয়োগ ও লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার গুরুত্ব উল্লেখ করেন মোহাম্মদ আমিরুল হক। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য পূরণে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দরসহ সামগ্রিক লজিস্টিক খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি। ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলোর অবদানের কথা উল্লেখ করেন। ব্রিটিশ সংস্থাগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করার আহ্বান জানান আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী। তিনি ডিএফআইডির মতো সংস্থার ভূমিকা আরও গতিশীল করার পরামর্শ দেন।