দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীরা মনে করতেন, প্রাইমরিয়াল ব্ল্যাক হোলের বিস্ফোরণ অত্যন্ত বিরল ঘটনা, যা প্রায় এক লাখ বছরে একবার ঘটতে পারে। কিন্তু ফিজিক্যাল রিভিউ লেটার্স সাময়িকীতে প্রকাশিত মাইকেল জে. বেকারের নতুন গবেষণা বলছে, এই বিস্ফোরণ ঘটতে পারে অনেক ঘন ঘন।
প্রাইমরিয়াল ব্ল্যাক হোল ধীরে ধীরে হকিং রেডিয়েশন এর মাধ্যমে বিলিয়ন বছর ধরে ভর হারায়। অবশেষে এক পর্যায়ে পৌঁছে যায়, যেখানে তা এক ভয়ংকর শক্তির বিস্ফোরণে শেষ হয়ে যায়।
এই বিস্ফোরণে নির্গত হতে পারে অসংখ্য কণা—পরিচিত ইলেকট্রন থেকে শুরু করে রহস্যময় ডার্ক ম্যাটার, এমনকি একেবারে নতুন অজানা কণাও। যদি এরকম কোনো বিস্ফোরণ আমাদের কাছে কোথাও ঘটে, তবে বর্তমান টেলিস্কোপগুলো তা শনাক্ত করতে পারবে উজ্জ্বল গামা-রে ঝলক হিসেবে।
গবেষকরা আরও ধারণা দিয়েছেন, বিদ্যমান পদার্থবিজ্ঞানের সামান্য সম্প্রসারণ—যেমন একটি কাল্পনিক “ডার্ক ইলেকট্রন”—এর অস্তিত্ব হয়তো ব্যাখ্যা করতে পারে কেন এখনো কিছু আদিম ব্ল্যাক হোল বিস্ফোরিত হয়নি, তবে খুব শিগগিরই হতে পারে।
যদি সত্যিই এমন একটি ঘটনা দেখা যায়, তবে তা শুধু স্টিফেন হকিংয়ের ভবিষ্যদ্বাণীকেই সত্য প্রমাণ করবে না, বরং মহাবিশ্বের গভীরতম রহস্য উন্মোচনের এক নতুন দুয়ার খুলে দেবে।