রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬

বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধার মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে হাইকোর্টে জামিন

গত ২ অক্টোবর গ্রেপ্তার হওয়া আখতারুজ্জামানের জামিন নিম্ন আদালত ২৬ অক্টোবর নামঞ্জুর করেছিল; রোববার হাইকোর্ট বেঞ্চ তাঁকে জামিন দিয়েছেন।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। এর আগে ২৬ অক্টোবর ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৫-এর বিচারক মো. সাদেকীন হাবিব বাপ্পী তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া হয় এবং দায়িত্ব পালনরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। এ ঘটনায় ২ অক্টোবর আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ৪ অক্টোবর তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে আইনজীবীরা জামিন চান, তবে আদালত তা মঞ্জুর করেননি বলে জানা যায়।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মদিনা থেকে ঢাকায় ফেরেন। তাঁদের বহনকারী ফ্লাইট সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশন শেষে লাগেজ সংগ্রহের জন্য যাত্রীরা ৮ নম্বর বেল্ট এলাকায় গেলে কয়েকজন প্রটোকল সহকারী লাইনের নিয়ম না মেনে ট্রলি নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এজাহার অনুযায়ী, লাগেজ পেতে দেরি হওয়া এবং জমজমের পানি না পাওয়াকে কেন্দ্র করে কয়েকজন যাত্রী উত্তেজিত হয়ে অশোভন আচরণ করেন। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি; জামিন মঞ্জুরের মানে মামলার নিষ্পত্তি নয়।