রংপুরে চাঞ্চল্যকর চার খুন: ফরেনসিক পরীক্ষায় পুরুষের অস্তিত্ব নিশ্চিত
ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
রংপুরে ঘটিত চাঞ্চল্যকর চার খুনের মামলায় অপরাধ তদন্ত সংস্থা সিআইডির ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে বেশ কিছু আলামতে পুরুষের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। এ প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি — সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ নমুনা আহরণের জন্য তাদের ঢাকার সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর ডিবির ওসি জিন্নাত আলী তাদের একটি গাড়িতে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।
ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো মোট ৩৫টি আলামতের মধ্যে বেশ কিছু নমুনায় পুরুষ মানুষের অস্তিত্ব দেখা গেছে, যা তদন্তের মূল রহস্য উদঘাটনে সাহায্য করবে। আদালতের নির্দেশে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের তিনজনেরও ডিএনএ নমুনা সিআইডি এরই মধ্যে সংগ্রহ করে রেখেছে। এর আগে ২ ও ৩ সেপ্টেম্বর সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে ৩৫টি আলামত পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। এই মামলায় খুন হওয়া ব্যক্তিরা হলেন — গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী এবং তিন সন্তান।
আসামিদের মধ্যে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে ২৩ আগস্ট ভোরে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সীমান্ত ও বিদ্যুৎ দাস তাদের স্বীকারোক্তি মূলত প্রমাণ করেছে হত্যাকাণ্ডের সাথে তারা জড়িত ছিল।
রংপুরের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এই চার খুনের ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আন্দোলন করা হয়েছে। এই আন্দোলন শহরের বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে।