প্রধান ঘোষণা ও ব্যাখ্যা
১৪ অক্টোবর থেকে উইন্ডোজ ১০-এর জন্য আর কোনো নতুন ফিচার আপডেট, বাগ ফিক্স, সিকিউরিটি প্যাচ বা টেকনিক্যাল সাপোর্ট দেওয়া হবে না।
যদিও সাপোর্ট বন্ধ হচ্ছে, উইন্ডোজ ১০ ইনস্টল করা কম্পিউটারগুলো চলবে — কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সুরক্ষাহীন হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়বে।
কিছু প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক গ্রাহকরা অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে Extended Security Updates (ESU) নামে এক বছরের জন্য সীমিত সিকিউরিটি আপডেট পেতে পারবেন।
ESU (এক্সটেন্ডেড সিকিউরিটি আপডেট) কি?
ESU হলো একটি বিকল্প ব্যবস্থা, যাতে ব্যবহারকারীরা সীমিত সময়ের জন্য উইন্ডোজ ১০-এর সুরক্ষা প্যাচ পেতে পারবেন — কিন্তু এই সুবিধাটি শুধুমাত্র সিকিউরিটি আপডেট (মাল্টি নতুন ফিচার বা প্রযুক্তিগত সহায়তা নয়) পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।
ব্যবহারকারীদের করণীয়
উইন্ডোজ ১১-এ আপগ্রেড করা
যদি আপনার ডিভাইস উইন্ডোজ ১১-এর ন্যূনতম হার্ডওয়্যার শর্তপূরণ করে, আপগ্রেড করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর পথ।
ESU-তে অংশগ্রহণ করা
যারা আপগ্রেড করতে পারছেন না, তারা সীমিত অর্থ দিয়ে বা মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্ট যুক্ত করে ESU-তে নাম লিখিয়ে ১৪ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত সিকিউরিটি আপডেট পেতে পারেন।
বিকল্প অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার
যদি উইন্ডোজ ১১-এ আপগ্রেড করা সম্ভব না হয়, তাহলে ব্যবহার করতে পারেন লিনাক্স (উবুন্টু, মিন্ট ইত্যাদি) বা ChromeOS Flex-এর মতো নিরাপদ বিকল্প ব্যবস্থা।
নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ব্যাকআপ রাখা
যেহেতু ভবিষ্যতে সিকিউরিটি আপডেট বন্ধ হবে, হার্ডওয়্যার ফেইলিওর বা ভাইরাস আক্রমণের ঝুঁকি আঁচ করতে, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও ডেটা নিয়মিত অন্য ড্রাইভ বা ক্লাউডে ব্যাকআপ রাখতে হবে।
প্রভাব ও সম্ভাব্য জটিলতা
নিরাপত্তা দুর্বলতা: নতুন হুমকি বা এক্সপ্লয়েট আবিষ্কৃত হলে, উইন্ডোজ ১০ পিসিগুলো দ্রুত ঝুঁকিতে পড়বে।
সফটওয়্যার সমর্থন: অনেক অ্যাপ্লিকেশন ও পরিষেবা নতুন OS সংস্করণই সমর্থন করবে, পুরনো সিস্টেমে চলা অব্যাহত রাখবে না।
হার্ডওয়্যার সীমাবদ্ধতা: অনেক পুরনো কম্পিউটার বা ল্যাপটপ উইন্ডোজ ১১-এ আপগ্রেড করার জন্য প্রয়োজনীয় TPM বা অন্যান্য হার্ডওয়্যার বৈশিষ্ট্য নেই — ফলে ব্যবহারকারীদের নতুন যন্ত্র কিনে নিতে হতে পারে।