ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকায়, উত্তর Gaza-র ধ্বংসস্তূপে গাজাবাসীদের ফেরার দৃশ্য দেখা গেছে। বহু নিহত ও বাস্তুচ্যুত মানুষের কাছেও এটি স্বস্তি দিবস।
বন্দি বিনিময়ের আলোচনা চলছে—সোমবার বন্দি হস্তান্তর সম্ভব বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। মিশর, তুরস্কসহ আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারী ও দেশগুলো শান্তির টেকসই প্রয়াসে জোর দিচ্ছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেছেন, গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসরায়েলের প্রতিশ্রুতি কার্যকর করতে হবে এবং হামলা, সহিংসতা, গণহত্যা বন্ধ করতে হবে। একইসাথে তিনি স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি গঠন ও পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
গাজায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ সহ ৬৭ হাজারের বেশি মৃত, দুই বছরে নগররাষ্ট্রটি এক ইতিহাসের ভেতর দিয়ে গেছে। অবরোধ এখনও রয়েছে, বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা ও মানবিক সহায়তা জরুরি হয়ে পড়েছে।
সংঘর্ষে গাজার খান ইউনিস, জাল্লা রোডসহ বহু এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে; বহু পরিবার এখনও বিশ্রামের সুযোগ পাচ্ছে না। বাকি বিশ্ব এ যুদ্ধ ও সংকটের দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। অবকাঠামো পুনর্গঠন, ব্যাংকিং ও ত্রাণ পুনরায় চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা, বন্দি বিনিময়, আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে স্বীকৃতি—সবমিলিয়ে গাজা পরিস্থিতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে।