সিলেট টেস্টে তাওহীদ হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরিতে ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩৫৬ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ৩৮৬ রান করেছে বাংলাদেশ। ৩০ রানের লিড পেয়েছে স্বাগতিকরা। হৃদয় অপরাজিত থাকেন ২৪২ রানে। এর আগে তিনি এই টেস্টে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন।
একসময় বাংলাদেশের ২০০ রানের মধ্যে অলআউট হওয়ার শঙ্কা ছিল। সেখান থেকে একাই দলকে ৩৮৬ রান পর্যন্ত টেনে নেন হৃদয়। নবম উইকেট হিসেবে তাসকিন আউট হলে ব্যাটিংয়ে আর নামেননি সাদমান ইসলাম, ফলে হৃদয়ের ইনিংস অপরাজিত থেকে যায়। ৩০৪ বলে তিনি ২০০ রান স্পর্শ করেন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যেকোনো ফরম্যাটে এটিই বাংলাদেশি কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মুশফিকুর রহিমের অপরাজিত ২১৯ রানকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ডও এখন তাঁর; আগের রেকর্ড ছিল ২০২১ সালে মুমিনুল হকের ১১৫ রান।
টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে এর আগে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন মুশফিকুর রহিম (তিনটি), তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান (একটি করে)। হৃদয়ের ইনিংসটি বাংলাদেশের ষষ্ঠ টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরি।
এর আগে প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৫৬ রানে অলআউট হয়। বাংলাদেশের হয়ে ৯০ রানে ছয় উইকেট নেন হাসান মাহমুদ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে স্বাগতিকরা; সেখান থেকে হৃদয়ের একক লড়াইয়ে দল লিড পেল।