মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শিশির মনিরের মতে ক্রান্তিকালীন সরকারের বৈধতা সংবিধানের ১৫৩ অনুচ্ছেদে খুঁজে পাওয়া যাবে না

জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সংকট কাটাতে সাংবিধানিক সংস্কারের প্রয়োজন উল্লেখ করেছেন শিশির মনির।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির ২১ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ক্রান্তিকালীন সরকারের সাংবিধানিক বৈধতা শুধুমাত্র সংবিধানের ১৫৩টি অনুচ্ছেদের আক্ষরিক ব্যাখ্যা দিয়ে নির্ণয় করা যাবে না। এ বিষয়ে তিনি জনগণের গাঠনিক ক্ষমতার ওপর নির্ভর করার পরামর্শ দেন। শিশির মনির বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণে ঐতিহাসিক পটভূমি এবং সুপ্রিম কোর্টের অতীত সিদ্ধান্ত বিবেচনায় নেওয়া উচিত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংবিধানের বর্তমান বাস্তবতায় আংশিক সংশোধনের পরিবর্তে কাঠামোগত সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। এতে তিনি সতর্ক করে বলেন, সাধারণ সংশোধনীর মাধ্যমে সাংবিধানিক কাঠামো পরিবর্তন করা যাবে না। সাংস্কৃতিক সংস্কার বিষয়ে আরও আলোচনা করেন শিশির মনির। তিনি বলেন, সংসদের কার্যপ্রণালিবিধির ২৬৬ বিধির অধীনে বিশেষ কমিটি গঠনে কোনো আইনগত বাধা নেই। এছাড়া, সংস্কারের চূড়ান্ত বৈধতায় গণভোটের গুরুত্বের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, একটি গণভোটে 'হ্যাঁ' সূচক জনমত সরকারের সকল কার্যক্রমের জন্য আবশ্যক। কোনো রাজনৈতিক দলের ভিন্নমত জনগণের সরাসরি রায়ের বিকল্প হতে পারে না। তিনি মন্তব্য করেন, জনগণের রায়ের সম্মুখে অবস্থান নেওয়া গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে।