বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর আপাতত পরিকল্পনা নেই, আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠকের আগে জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর কোম্পানিগুলোর আবেদনের মধ্যে রমজানের আগে দাম বাড়ানো হবে কি না, এ প্রশ্নে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর জন্য সরকারের আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয় নিয়ে ব্যবসায়ীদের কোনো প্রস্তাব আছে কি না এবং রমজানের আগে তেলের দাম বাড়ানো হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে বুধবার সচিবালয়ে তিনি এ কথা বলেন। আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসার আগে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন।

বৈঠকে বাণিজ্যসচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলাসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নেন।

এর আগে দেশের ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে। কোম্পানিগুলোর আবেদন অনুযায়ী, বোতলজাত লিটারপ্রতি সয়াবিনের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২০৪ টাকা থেকে ২১৮ টাকা, পাঁচ লিটারের বোতলের দাম ১ হাজার টাকা থেকে ১ হাজার ৭০ টাকা এবং খোলা সয়াবিনের দাম লিটারে ১৮৫ টাকা থেকে ১৯৯ টাকা করা হোক। দাম বাড়ানোর পক্ষে তারা আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম এবং দেশে জ্বালানির দাম ও পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেছে।

আসন্ন রমজানের পণ্য পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল ও চিনিসহ আমদানিনির্ভর পণ্যের সরবরাহ এবং সম্ভাব্য চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে সরকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছে। প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির পাইপলাইনে পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে এবং রমজানের আগে-পরে বাজারে কোনো ঘাটতি তৈরি হবে না বলে তিনি জানান।

ঋণপত্র (এলসি) খোলায় ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়ছেন কি না—এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত বড় কোনো প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কোনো আমদানিকারক এলসির মার্জিন বা অন্য ব্যাংকিং জটিলতায় পড়লে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ছোলার দাম কিছুটা বেড়েছে এবং এ বিষয়ে আমদানিকারকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।