অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রীর মৃত্যুর তদন্তে প্রভাবিত করার অভিযোগে আওলাদ হোসেন গ্রেপ্তার
রেহানা পারভীনের মৃত্যু তদন্তকে প্রভাবিত করতে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে আওলাদ গ্রেপ্তার।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রেহানা পারভীনের মরদেহ বাংলাদেশের একটি গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়। এর পরেই তার স্বামী আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের কারণে তিনি অস্ট্রেলিয়ার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। আওলাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি স্ত্রীর মৃত্যুর তদন্তকে প্রভাবিত করতে ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার ঘুষ পাঠানোর চেষ্টা করেছিলেন।
বাংলাদেশ পুলিশ আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। তবে দুই দেশের কোথাও তার বিরুদ্ধে সরাসরি হত্যার অভিযোগ বা চার্জ গঠন করা হয়নি। এএফপির কমান্ডার স্টিফেন জয় জানিয়েছেন, আওলাদ ৯০ হাজার ডলার পাঠানোর চেষ্টা করলেও এর ফলে কোনো তদন্ত প্রভাবিত হয়নি।
আওলাদের বাসায় তল্লাশি চালানো হলে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও ব্যাংক রেকর্ড জব্দ করা হয়। এই ঘটনার তদন্তে উল্লেখযোগ্য কিছু পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে।
আওলাদ হোসেন বর্তমানে ব্রিসবেনে হেফাজতে রয়েছেন এবং তার আইনজীবী জানান যে তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার জামিনের জন্য আবেদন করার সম্ভাবনা রয়েছে।
অস্ট্রেলীয় পুলিশ জানিয়েছে যে, তারা বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চমৎকার সহযোগিতা পেয়েছে। এই মামলাটি এএফপির প্রথম মামলা যেখানে বিদেশের সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।