জাতিসংঘে তারেক রহমানের ভাষণ: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন। সাধারণ বিতর্কে দেওয়া এই ভাষণ তিনি বাংলায় দেন। তার ভাষণের মূল বিষয় ছিল ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো।
ভাষণের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বাংলাদেশের সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর তিনি স্বাধীনতার পর থেকে দেশে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের অবদান বিনম্র চিত্তে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “শুরুতেই আমি বাংলাদেশের সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। স্বাধীনতার পর থেকে দেশে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের অবদানকে বিনম্র চিত্তে স্মরণ করছি। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বীর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সকল শহীদ ও আহতদের প্রতিও আমি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা জানাই।”
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামের পথ ধরে বর্তমানে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত। তিনি আরও জানান, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। এ কারণে তিনি দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং বিশ্বাস করেন যে, জনগণই সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।