বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত তৃতীয় লং মার্চ ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের

গণভোটের রায় কার্যকর ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনসহ নানা দাবিতে বায়তুল মোকাররম থেকে খুলনা হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত কর্মসূচি; দাবি না মানলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি।

গণভোটের রায় কার্যকর, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনসহ বিভিন্ন দাবিতে আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত লং মার্চের ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয় জোট। মঙ্গলবার বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কর্মসূচির কথা জানান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ব্রিফিংয়ের সঞ্চালনা করেন জামায়াতের সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার। মামুনুল হক জানান, এর আগে চট্টগ্রাম ও রংপুর অভিমুখে দুটি লং মার্চ হয়েছে; সেই ধারাবাহিকতায় এবার তৃতীয় লং মার্চ পালিত হবে।

কর্মসূচি অনুযায়ী ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশ হবে। এরপর লং মার্চ খুলনা হয়ে কুষ্টিয়ায় গিয়ে শেষ হবে।

জোটের নেতারা যেসব দাবি তুলে ধরেছেন তার মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় কার্যকর করা, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন, তেল, গ্যাস, সার ও বিদ্যুৎসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো, প্রশাসনে দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি দমন। এ ছাড়া শরিফ ওসমান হাদি হত্যা, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও শাপলা চত্বরের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিও জানান তাঁরা।

মামুনুল হক বলেন, “আমরা সংবিধান সংস্কার ও রাষ্ট্র মেরামতের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি, কোনো তামাশা করতে নয়।” তিনি জানান, ১১ দলীয় জোটের ঐক্য অটুট আছে এবং আগামী দিনে আন্দোলন আরও বেগবান হবে। সরকার কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

লং মার্চে সর্বস্তরের মানুষকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জোটের এই নেতা বলেন, আগের দুই কর্মসূচির মতো এবারও ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা হবে বলে তাঁরা আশাবাদী। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতাও চেয়েছেন তিনি।