বুধবার, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬

দুমকিতে কাবিখা-টিআর প্রকল্পে অস্তিত্বহীন কাজ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক

পটুয়াখালীর দুমকিতে সরেজমিন পরিদর্শনে কাবিখা ও টেস্ট রিলিফ প্রকল্পে নামমাত্র কাজ ও অস্তিত্বহীন প্রকল্পের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি দল।

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) ও টেস্ট রিলিফ (টিআর) প্রকল্পে অস্তিত্বহীন প্রকল্প ও নামমাত্র কাজ দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার দুদকের একটি দল দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করে এসব অনিয়মের তথ্য পায়।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদের গাড়ি ধোয়ার র‍্যাম্পের সামনে মাটি ভরাট না করে নামমাত্র ইট ফেলে বরাদ্দের ২ লাখ ৩৭৪ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের ফুলবাগান ও উপজেলা পরিষদের মাঠে মাটি ভরাটের প্রকল্পের বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া শ্রীরামপুর ইউনিয়নে নলকূপ বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তির কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পায়নি দুদকের টিম। রাস্তা মেরামতের একটি প্রকল্পেও কোনো কাজ হয়নি বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তাপস বিশ্বাস বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও তদারকির দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ও প্রকল্প সভাপতিদের যোগসাজশে এসব অনিয়ম হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। অনুসন্ধান শেষে দ্রুত প্রধান কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে এবং কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী মুঠোফোনে বলেন, তিনি ছুটিতে আছেন; যেহেতু দুদক তদন্তে নেমেছে, তাই এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। অভিযোগ প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর্যায়ে রয়েছে এবং কাউকে এখনো দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি।