চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার জামবাড়ীয়া ইউনিয়নে অস্তিত্বহীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ‘জারা-ফারা এগ্রো’ নামের প্রতিষ্ঠানটির কোনো দৃশ্যমান দোকান বা ব্যবসায়িক কার্যক্রম নেই। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, নীতিমালা অনুসরণ করেই প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির মালিক হেলাচী গ্রামের মো. টুটুল মিয়া। সরেজমিনে প্রতিষ্ঠানটির কোনো সাইনবোর্ড বা কৃষি উপকরণ বিক্রির কার্যক্রম দেখা যায়নি। সার সংরক্ষণের গুদাম হিসেবে যে ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে, সেই বড়গাছী বাজারে গিয়ে পাওয়া গেছে ‘মেসার্স মা ট্রেডার্স’ নামের একটি দোকান। দোকানের মালিক আরিফুল ইসলাম লালটু জানান, তিনি ছয় বছর ধরে টুটুল মিয়ার বাবার কাছ থেকে দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করছেন।
বড়গাছী বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান বাবুল মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম মিঠু বলেন, টুটুল মিয়া রাজশাহীতে বসবাস করেন এবং মাঝেমধ্যে এলাকায় আসেন। তাঁদের ভাষ্য, বাজারে জারা-ফারা এগ্রো নামে কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নেই; সার ব্যবসার সঙ্গে তাঁর আগে সম্পৃক্ততা ছিল বলেও তাঁরা জানেন না। জামবাড়ীয়া ইউনিয়নের কয়েকজন জনপ্রতিনিধিও জানিয়েছেন, তাঁদের জানা মতে এলাকায় টুটুল মিয়ার কোনো দৃশ্যমান ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নেই।
ডিলারশিপের জন্য আবেদনকারী মেসার্স মাহী এন্টারপ্রাইজের মালিক মেহেদী হাসান বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সার ও কীটনাশকের ব্যবসা করলেও ডিলারশিপ পাননি। তাঁর অভিযোগ, দৃশ্যমান প্রতিষ্ঠান না থাকা সত্ত্বেও জারা-ফারা এগ্রো ডিলারশিপ পেয়েছে।